গাইবান্ধায় নাম-সর্বস্ব সংগঠনের নামে চারুশিল্প ও থিয়েটার খাতের অনুদানের অভিযোগ

গাইবান্ধায় নাম-সর্বস্ব সংগঠনের নামে চারুশিল্প ও থিয়েটার খাতের অনুদানের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টারঃ চলতি অর্থ বছরে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীনে চারুশিল্প ও থিয়েটার খাত থেকে সাংস্কৃতিক সংগঠনকে অনুদান বরাদ্দ দেয়া নিয়ে গাইবান্ধায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগে জানা গেছে, গাইবান্ধার অনেক সক্রিয় সংগঠন এ বছর ওই খাত থেকে অনুদান পায়নি। এমনকি সদর উপজেলার দারিয়াপুরের সাইনবোর্ড সর্বস্ব একই ব্যক্তি পরিচালিত ৮টি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ ৯০ হাজার টাকা অনুদান দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এতে বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য আবেদন জানানো হয়েছে। 
গাইবান্ধা সদর উপজেলার ঘাগোয়ার বিজয় চন্দ্র বর্মন স্বাক্ষরিত সাংস্কৃতিক প্রতিমন্ত্রী বরাবরে এব্যাপারে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এই লিখিত অভিযোগের অনুলিপি গত ২১ জুন সোমবার জেলা প্রশাসক, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার, পরিচালক, শিল্পকলা একাডেমি, ঢাকা, বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন ও বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার কেন্দ্রীয় কমিটিতেও প্রেরণ করা হয়েছে। 
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে সদর উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের দারিয়াপুরে জনৈক জুলফিকার চঞ্চল সাইন বোর্ড সর্বস্ব সংগঠন ‘ভোর হলো নৃত্যায়ন, ‘সারথী থিয়েটার’, ‘শহীদ আলতাফ মাহমুদ সংগীতায়ন’, ‘দোয়েল বাচিক বিদ্যায়তন’, ‘ভোর হলো সাংস্কৃতিক বিদ্যালয়’, ‘ভোর হলো’, ‘সেলিম আল দীন নাট্যায়তন’ ও ‘উদয় সংকর নৃত্যায়ন’ সহ মোট ৮টি সংগঠনের নামে সরকারি সাংস্কৃতিক খাতে বরাদ্দ নিয়েছেন। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, উক্ত সংগঠনগুলোর মধ্যে শুধু একটি সংগঠনের কার্যক্রম থাকলেও অন্যগুলোর কোন কার্যক্রম নেই। একটি সংগঠনের কার্যক্রমকে কৌশলে ব্যানার পাল্টিয়ে ফটোসেশন করে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম দেখানো হয়। তদুপরি উক্ত ব্যক্তি স্থানীয় জেলা পর্যায়ে যাচাই বাছাই কমিটিতে সদস্য থাকার কারণে সুকৌশলে এই কাজটি সম্পন্ন করতে সক্ষম হন। এতে করে দীর্ঘদিন থেকে যারা গাইবান্ধার শিল্প সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সাথে যে সমস্ত প্রতিষ্ঠান যুক্ত থেকে সক্রিয় কার্যক্রম পরিচালনা করছেন তারা সরকারি অনুদান থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।