গাইবান্ধায় সংবাদপত্রের হকার ও রবিদাস সম্প্রদায়ের মাঝে ত্রান বিতরন

গাইবান্ধায় সংবাদপত্রের হকার ও রবিদাস সম্প্রদায়ের মাঝে ত্রান বিতরন

স্টাফ রিপোর্টারঃ করোনার এই দুঃসময়ে ভালো নেই গাইবান্ধা জেলার সংবাদ পত্রের হকার ও রবিদাস সম্প্রদায়। করোনায় সংবাদপত্রের গ্রাহক ও পাঠকসংখ্যা কমে যাওয়ায় হকারদের আয়ও কমে গেছে। অন্যদিকে নানা কারণেই রবিদাস সম্প্রদায়ের আয় নেই বললেই চলে। এতে করে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কষ্টে জীবিকা চালাচ্ছেন মানুষের দুয়ারে সংবাদ পৌঁছে দেয়া এই মানুষগুলো। তাই  গাইবান্ধা সদর উপজেলায় সংবাদ পত্রের হকার ও রবিদাস সম্প্রদায়ের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছে গাইবান্ধা ষ্টেশন রোডস্থ সু-প্যালেস ও সাপ্তাহিক অবিরাম পত্রিকা। শনিবার (১৭ জুলাই) শহরের গোডাউন রোডস্থ (কাঠপট্রি) সাপ্তাহিক অবিরাম পত্রিকার সম্পাদকীয় কার্যালয়ে ৭০ জনের মধ্যে এই ত্রাণ সহায়তা প্রদান করা হয়। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সু-প্যালেসের স্বত্তাধীকারী ও সাপ্তাহিক অবিরাম পত্রিকার সহকারী সম্পাদক সোহাগ মৃধা, দৈনিক সমকালের প্রতিনিধি উজ্জল চক্রবতী, দৈনিক মানবকন্ঠের প্রতিনিধি আব্দুস সাত্তার, ফটো সাংবাদিক কুদ্দস আলম, সাপ্তাহিক অবিরাম পত্রিকার সম্পাদক হারুন-অর-রশিদ বাদল, উপদেষ্টা সম্পাদক অ্যাড. কাজী আমিরুল ইসলাম ফকু, পলাশবাড়ী আদর্শ কলেজের প্রভাষক ফেরদৌস আলম, সাবেক পৌর কাউন্সিলর তানজিমুল ইসলাম পিটার, সাংবাদিক ফিরোজ কবির মিলন, শেখ হাবিবুর রহমান, শ্রমিক নেতা আশরাফুল ইসলাম জুয়েল, রফিক উদ্দিন আহমেদ ডিজু, সালাউদ্দিন কাশেম, মাজহারুল ইসলাম বিপ্লব, মাহবুব হোসেন লিটন, রবিদাস সম্পদায়ের নেতা মঙ্গল রাম রবিদাস প্রমূখ। 

হকারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, করোনার শুরুর দিকে পত্রিকা বিক্রি বন্ধ হলেও পরে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়েছে। কিন্তু আগের তুলনায় বিক্রি অনেক কমেছে। এতে হকারদেরও আয় কমেছে কয়েকগুণ। শুধু পত্রিকা বিক্রি করেই সংসার চালানোর কারণে তারা দুঃসময় পার করছেন।