সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত চান গণমাধ্যমকর্মীরা

সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত চান গণমাধ্যমকর্মীরা

স্টাফ রিপোর্টারঃ দূর্নীতির সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে বগুড়ায় সময় সংবাদের প্রতিবেদক মাজেদুর রহমান ও চিত্র সাংবাদিক রবির উপর হামলার প্রতিবাদে গাইবান্ধায় সড়ক অবরোধ বিক্ষোভ ও সংহতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গাইবান্ধায় কমরত গণমাধ্যমকর্মীদের আয়োজন শনিবার (২ জানুয়ারি) বেলা এগারোটার দিকে শহরের ডিবি রোডে আসাদুজ্জামান মার্কেটের সামনে সাংবাদিক সংহতি সমাবেশ থেকে বক্তারা অবিলম্বে হামলার নির্দেশদাতা ও হামলাকারীদের গ্রেফতার ও বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে আপরাধীদের বিচারের দাবী জানান। 

সংহতি সমাবেশে গণমাধ্যমকর্মীরা ছাড়াও খেলোয়াড়, রাজনীতিক ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা বক্তব্য দেন। এসময় বক্তারা বলেন, সরকারী উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে বগুড়া সদরের নিশিন্দারা ইউনিয়নের দশটিকা গ্রামে স্থানীয় ইউপি সদস্য লুৎফর রহমান, শ্রমিকলীগ নেতা জনির নেতৃত্বে দূবৃত্তরা সময় সংবাদের প্রতিবেদক মাজেদুর রহমান ও চিত্র সাংবাদিক রবিউল ইসলামের উপর হামলা চালিয়ে এলোপাথারী মারপিট করে তাদের ব্যবহৃত ক্যামেরা, মাইক্রোফোন ও নগদ অর্থ লুটে নেয়। হামলার  সময় সেখানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপস্থিত থাকলেও তার নির্বিকার ভূমিকার নিন্দা জানান বক্তারা। বগুড়া শহীদ জিয়া মেডিকেলে চিকিৎসাধীন মাজেদুর ও রবির শারীরীক অবস্থার আরো অবনতি হয়েছে। এসময় গণমাধ্যমকর্মীরা এই হামলার নির্দেশদাতা, হামলাকারীদের দ্রুত  গ্রেফতারের দাবী জানান। সেই বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও দ্রæত বিচার ট্রাইব্যুনালে হামলাকারীদের বিচারের আওতায় আনার দাবী জানান তারা। 
সংহতি সমাবেশ শেষে শহরের ডিবি রোডে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন গণমাধ্যমকর্মীরা। সংহতি সমাবেশে বক্তব্য দেন গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর সাবু, গোবিন্দলাল দাশ, সাংবাদিক অমিতাভ দাশ হিমুন, সিদ্দিক আলম দয়াল, দীপক কুমার পাল, উজ্জল চক্রবর্তী, আরিফুল ইসলাম বাবু, কুদ্দুস আলম, রজত কান্তি বর্মন, মাহমুদুল গনি রিজন, রেডিও সারাবেলার সিনিয়র স্টেশন ম্যানেজার মাহফুজ ফারুক, সাংবাদিক রিক্তু প্রসাদ, আফরোজা লুনা, আফতাব হোসেন, তাজুল ইসলাম রেজা, সরদার শাহিদ হাসান লোটন, খালেদ হোসেন, ফুলছড়ি উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম যাদু, ভবতোষ রায় মনা, কায়ছার প্লাবন, এস এম বিপ্লব, ফারহান শেখ, শাহজাহান সিরাজ, সাইফুল মিলন, ওবাইদুল ইসলাম ও হেদায়েতুল ইসলাম বাবু। 
সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন গাইবান্ধা নাগরিক পরিষদের আহবায়ক অ্যাড সিরাজুল ইসলাম বাবু, ওয়ার্কাস পার্টির গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা সভাপতি মতিন মোল্লা, উন্নয়নকর্মী আশরাফুল আলম, নারীমুক্তি কেন্দ্রের সভাপতি অধ্যাপক রোকেয়া খাতুন, সেদর উপজেলা পূজা উদডাপন পরিষদের সভাপতি সুজন প্রসাদ, ট্যালেন্ট হান্ট ক্রিকেট একাডেমীর পরিচালক, আসাদুল হাবীব সুজন ও ফার্মাসিউটিক্যাল রিপ্রেজিন্টেটিভ অ্যাসোসিয়েশনের রবিউল ইসলাম। অবিলম্বে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে কঠোর কর্মসূচীর হুশিয়ারী দেন গণমাধ্যমকর্মীরা।