প্রতিশ্রুতি পুরণে পৌরবাসীর সহযোগীতা চান নবনির্বাচিত পৌরমেয়র 

প্রতিশ্রুতি পুরণে পৌরবাসীর সহযোগীতা চান নবনির্বাচিত পৌরমেয়র 

স্টাফ রিপোর্টার: প্রথমবারের মতো মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দিতা করে প্যানেল মেয়র থেকে এবার মেয়র নির্বাচিত হলেন মতলুবর রহমান। শনিবার রাতে জেলা নির্বাচন ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আব্দুল মোত্তালিব সর্ব্বোচ্চ ভোট পাওয়ায় তাকে বেসরকারীভাবে মেয়র নির্বাচিত ঘোষণা করেন। 
বেসরকারীভাবে প্রাপ্ত ফলাফলের তথ্য অনুযায়ী, মতলুবর রহমান ১২ হাজার ৩৯৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি স্বতন্ত্র প্রার্থী আনওয়ার উল সরওয়ার সাহিব রেল ইঞ্জিন প্রতীকে পান ৭ হাজার ৯৭০ ভোট। এছাড়া আওয়ামী লীগ মনোনীত শাহ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবীর মিলন নৌকা প্রতীকে ৭ হাজার ৩০১ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী ফারুক আহমেদ ক্যারাম বোর্ড প্রতীকে ১ হাজার ৬৯২ ভোট, অ্যাডভোকেট আহছানুল করীম লাছু চামচ প্রতীকে ১ হাজার ৯৭৪, মির্জা হাসান জগ প্রতীকে ৩৭৩, বিএনপির ধানেরশীষ প্রতীক নিয়ে শহীদুজ্জামান শহীদ ৯১৮ ভোট পান। 
মতলুবর রহমান ২০১৬ সালে গাইবান্ধা পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়ে পৌরসভার প্যানেল মেয়র হন। মতলুবর রহমান পেশায় ব্যবসায়ী ও ঠিকাদার। তিনি দুই যুগেরও বেশী সময় ধরে ঠিকাদারী পেশার সাথে জড়িত। ১৯৭২ সালে মতলুবর রহমানের জন্ম গাইবান্ধা পৌরসভার কলেজপাড়ার বাসিন্দা মরহুম হাজী আহম্মদ উল্লাহ ও মরহুমা মঞ্জিলা বেগমে’র ঘরে। তিনি ১২ ভাইবোনের মধ্যে তিনি ৫ম। সেরা করদাতা হিসেবে সাত বার পুরষ্কৃত হয়েছেন মতলুবর রহমান। ১৯৯৫ সালে তিনি নুরুন্নাহার বেগম স্বপ্না’র সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তার বড় মেয়ে তাসলিমা আক্তার মিশু ও মেজো মেয়ে তাহমিনা আক্তার মিনি ব্রাক ইউনিভার্সিটিতে অধ্যয়নরত এবং ছোট ছেলে মাসুম মুশফিক সিফাত বাংলাদেশ রেইফেলসে ষষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্র।
মেয়র নির্বাচিত হবার পর মতলুবর রহমান তার কর্মী-সমর্থক, শুভাকাঙ্খীসহ পৌরবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, গাইবান্ধা পৌরসভাকে জনবান্ধব আলোকিত পৌরসভা হিসেবে গড়ে তোলার উদ্দেশ্য থেকে তিনি নির্বাচনে অংশ নেন। সবার দোয়া, ভালোবাসায় মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় দায়িত্ব গ্রহনের দিন থেকে তিনি ভোটারদের দেয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করতে কাজ করবেন। তিনি পৌরসভার উন্নয়নে প্রত্যেকের মতামত ও পরামর্শ প্রত্যাশা করেন।