গোবিন্দগঞ্জে আওয়ামীলীগ অফিস  ভাংচুর: পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

গোবিন্দগঞ্জে আওয়ামীলীগ অফিস  ভাংচুর: পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার: 
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে উপজেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয় ভাংচুরের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ প্রধান ও সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদের পক্ষ থেকে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করা হয়। দলীয় কার্যালয়ে রাখা বঙ্গবন্ধু ও প্রধানন্ত্রীর ছবি সংবলিত ব্যানার ছিড়ে ফেলা ও আসবাবপত্র ভাঙচুরের অভিযোগ করেন তারা। এঘটনায় পাল্টাপাল্টি মানববন্ধন কর্মসূচীও পালিত হয় গোবিন্দগঞ্জে। 
শনিবার বিকেলে উপজেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সম্পাদক মিয়া আসাদুজ্জামান হিরু, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র আতাউর রহমান সরকার, যুগ্ম-সম্পাদক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ প্রধান, সংসদ সদস্যের সমন্বয়কারী কৃষিবিদ আব্দুলাহ আল হাসান চৌধুরী লিটন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিঞা আসাদুজ্জামান হিরু, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সুফিয়ান মন্ডল, উপ প্রচার সম্পাদক আধ্যক্ষ আব্দুর নূর, উপ দপ্তর সম্পাদক মাহামুদু হাসান মন্ডল মাসুদ, সাবেক জেলা যুবলীগ নেতা আলতা মাসুম শিল্পী,উপজেলা যুবলীগ সভাপতি তাহেদুল ইসলাম রকেট প্রমুখ। 
উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ প্রধান অভিযোগ করেন, শুক্রবার রাতে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ন আহবায়ক তৌকির হাসান রচিকে আদালতের ওয়ারেন্টে পুলিশ গ্রেফতার করে। তাকে গ্রেফতারের পর আমার উপর ক্ষুব্ধ হয়ে  সাবেক সংসদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদের উপস্থিতিতে তার লোকজন শনিবার দুপুরে দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালায়। তিনি হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবী জানান।  
অন্যদিকে সাবেক সংসদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদের সর্মথকরা পাল্টা মানববন্ধনে অভিযোগ করেন উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ প্রধানের লোকজন দলীয় কার্যালয়ে এ হামলা চালিয়েছে। এসময় বক্তব্য দেন উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সাপমারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রভাষক শাকিল আকন্দ বুলবুল, উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পৌর কাউন্সিলর শাহিন আকন্দ, স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহবায়ক হামিদুল ইসলাম ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান নজমু প্রমুখ। 
হামলার এমন অভিযোগ অস্বীকার করে সাবেক সংসদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, তিনি নিজের উদ্যোগে ও অর্থায়নে দলীয় কার্যালয় নির্মান করেছেন। নিজের হাতে তৈরি করা দলীয় কার্যালয় তিনি বা তার লোকজন ভাংচুর করতে পারেনা। তারা উপজেলায় দলের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করে নিজেদের কুকীর্তি আড়াল করতে এবং দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে নিজেরাই দলীয় কার্যালয় ভাংচুর করে তার রাজনৈতিক ভাবমুর্তি বিনষ্ট করতে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পায়তারা করছে।